বরিশাল নগরে সাবেক স্বামীর ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে করা সাইবার আইনের মামলায় রওনক বিনতে নূর রিপা (৩৫) নামে এক স্কুলশিক্ষিকাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে নগরীর দুর্গাবাড়ির পোল এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রওনক ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার কান্ডপাশা গ্রামের নুরুল ইসলাম তালুকদারের মেয়ে। তিনি নলছিটির অনুরাগ দড়িরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বন্দর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নিবাস চন্দ্র মিস্ত্রি। তিনি জানান, গ্রেপ্তারের পর রওনককে আদালতে পাঠানো হয়। পরে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক জান্নাতুল মিম তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালতের বকশি মো. হারুন এ তথ্য জানিয়েছেন।
মামলার অভিযোগে রওনকের সাবেক স্বামী মিজানুর রহমান দাবি করেন, বিচ্ছেদের পরও তার ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে তাকে হয়রানি করা হয়েছে। পাশাপাশি এসব ছবি ও ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে কাবিননামায় উল্লেখিত অর্থের চেয়ে বেশি টাকা আদায়ের চেষ্টার অভিযোগও করেন তিনি।
এ ঘটনায় গত ৩১ আগস্ট ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন মিজানুর রহমান। পরে ট্রাইব্যুনালের নির্দেশে বন্দর থানায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। বর্তমানে পুলিশ অভিযোগটি তদন্ত করছে।
মিজানুর রহমান ও রওনকের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। পারিবারিক বিরোধের জেরে ২০২৫ সালে আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয় ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে তাদের বিচ্ছেদ হয়।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে নগরীর দুর্গাবাড়ির পোল এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রওনক ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার কান্ডপাশা গ্রামের নুরুল ইসলাম তালুকদারের মেয়ে। তিনি নলছিটির অনুরাগ দড়িরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বন্দর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নিবাস চন্দ্র মিস্ত্রি। তিনি জানান, গ্রেপ্তারের পর রওনককে আদালতে পাঠানো হয়। পরে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক জান্নাতুল মিম তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালতের বকশি মো. হারুন এ তথ্য জানিয়েছেন।
মামলার অভিযোগে রওনকের সাবেক স্বামী মিজানুর রহমান দাবি করেন, বিচ্ছেদের পরও তার ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে তাকে হয়রানি করা হয়েছে। পাশাপাশি এসব ছবি ও ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে কাবিননামায় উল্লেখিত অর্থের চেয়ে বেশি টাকা আদায়ের চেষ্টার অভিযোগও করেন তিনি।
এ ঘটনায় গত ৩১ আগস্ট ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন মিজানুর রহমান। পরে ট্রাইব্যুনালের নির্দেশে বন্দর থানায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। বর্তমানে পুলিশ অভিযোগটি তদন্ত করছে।
মিজানুর রহমান ও রওনকের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। পারিবারিক বিরোধের জেরে ২০২৫ সালে আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয় ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে তাদের বিচ্ছেদ হয়।
অনলাইন ডেস্ক